গান্ধীনগরের বাগে, যেখানে
গত পরশুদিনও রেড হয়েছিল,
মেয়েটি ঠিক সেখানেই বসা ।
সেই বিশাল কাঁঠাল গাছ, তার গা ঘেঁষে
ঠিক যেখানে রাস্তা নিয়েছে বাঁক -
তারই বাম কাঁখ বরাবর
একটি সিমেন্টের খয়ে যাওয়া রোয়াক -
মেয়েটি সেখানেই বসে, সেই কাকভোর থেকে।
একজোড়া শালিকের একটা
বারবার ফিরে ফিরে আসছিল, অথচ অন্যটি -
তাকে তো দেখিনি অনেকক্ষণ !
ঠিক সেই ছেলেটির মতো -
গতকাল তাকেই দেখা গিয়েছিল শেষ বারের মত।
মেয়েটি নিরুত্তাপ বসে, চোখ দুটো শ্মশানের চিতা
জ্বলজ্বল জ্বলছিল, তবে জল ছিল না
অস্থির শিখাগুলো সহস্র ঠোঁটে
ভেতরের মনটাকে ক্রমাগত পুড়ছিল -
ঠোঁট তার কাঁপছিল, নিঃশব্দে হাওয়ায় !
বহুবার জিজ্ঞেস করাতে বললে,
কথা ছিল রাত ভোর হলেই, সে আসবে ফিরে,
তাই রাত জেগে একটা একটা স্বপ্ন জুড়ে ঘর বেঁধেছিল।
সলতের শেষ তেলটুকু জ্বেলে, উত্তাপ দিয়েছিল তাঁকে,
আকাশে কি করে ডানা মেলতে হয়
সবটাই শিখিয়েছিল সে।
এখন, পাখিটাই উড়ে গেল, সে বসে একা !
Comments
Post a Comment