ইচ্ছে করে বাগান থেকে গোলাপ তুলে আনি !
ইচ্ছে করে গোলাপটাকে খোঁপায় গুঁজে দিই ।
তোমার ঘন চুলের ভাঁজে ভাঁজে কস্তুরীর ওই ঝাঁজ
ইচ্ছে করে হরিণ যেমন মুখ গুঁজে দেয় ঝোঁপে
আমিও তেমনি -, আমার কত দিনের সাধ !
ইচ্ছে করে ঠিক দুপুরে ঠাকুর ঘরে তুমি,
সদ্যস্নাত আটপৌরে এক শাড়ি চাপিয়ে গায়ে
ব্যস্ত হাতে পূজার আয়োজনে। নিদ্রা তোলা-
তেল সিঁদুর- ঘট বসানো- শেষে পাঁচালি পাঠ -
তোমার কত কি যে কাজ -
আমি জানি না - লক্ষ্মীটি কে, ওই যে উনি,
নাকি তুমিই সেই !
ইচ্ছে করে আদর করে আসন জুড়ে বসাই ।
ইচ্ছে করে ! ভীষণ ইচ্ছে করে !
ইচ্ছে করে গভীর রাতে শহর যখন ঘুমায়,
আমার পাশে তুমি শোয়া, ঘুমের ভানটি করে
আমি তখন জড়িয়ে টেনে বুকে
শিশুর মতো অঝোর ধারায় আদর করি তোমায় ।
তুমি তখন তৃষ্ণা ঠোঁটে আরও কত কী চাও !
দুষ্টু মেয়ে, আমি কি আর ফিরিয়ে দিতে পারি ?
ইচ্ছে করে গোটা জীবন এমনি করেই কাটুক -
হাসি, ঠাট্টা, খুনসুটি আর অনেক নিবিড়তা -
সত্যি তুমি ! স্বার্থপর, এতই তাড়া ছিল ?
কিসের শাস্তি আমায় দিলে - বললে না তো !
হঠাৎ করেই ফাঁকি দিয়ে ফটোয় হারিয়ে গেলে !
ইচ্ছে হলে দেখতে পারো,
রাত্রি জুড়ে অঝোর ধারায় কাঁদি ।
Comments
Post a Comment